পদ্মিনী একাদশী ২০২৬ পালিত হবে বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ তারিখে। একাদশী তিথি শুরু হয় ২৬ মে ভোর ৫:৪১ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়, BST) এবং শেষ হয় ২৭ মে সকাল ৬:৫১ মিনিটে। পারণার সময় (ব্রত ভাঙার সময়) ২৮ মে সকাল ৫:৫৫ থেকে ৮:২৭ মিনিটের মধ্যে। এটি অধিক মাস (পুরুষোত্তম মাস)-এ আসে বলে প্রতি ৩২-৩৩ মাসে একবারই ঘটে, তাই এই একাদশী অত্যন্ত দুর্লভ ও মহাপুণ্যদায়ক।
পদ্মিনী একাদশী কী? কেন এটি এত বিশেষ?
পদ্মিনী একাদশী হলো হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে দুর্লভ ও মহাপুণ্যদায়ক একাদশীগুলোর মধ্যে একটি। এটি অধিক মাস (যা মলমাস বা পুরুষোত্তম মাস নামেও পরিচিত)-এর শুক্লপক্ষের একাদশীতে পালিত হয়।
সাধারণ বছরে ২৪টি একাদশী থাকে। কিন্তু যে বছর অধিক মাস আসে, সে বছর ২৬টি একাদশী হয় — এবং এই দুটি অতিরিক্ত একাদশীর মধ্যে শুক্লপক্ষেরটি হলো পদ্মিনী একাদশী এবং কৃষ্ণপক্ষেরটি হলো পরমা একাদশী।
এই একাদশীকে কমলা একাদশী বা পুরুষোত্তমী একাদশী-ও বলা হয়। “পদ্মিনী” শব্দের অর্থ হলো দিব্য পদ্মফুল — যা বিষ্ণুর পবিত্রতা ও মঙ্গলশক্তির প্রতীক।
পদ্মিনী একাদশী ২০২৬: তারিখ ও সময়সূচি (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী)
২০২৬ সালে পদ্মিনী একাদশী পড়েছে অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস-এ, যা একটি বিশেষ দুর্লভ ঘটনা।
| বিষয় | সময় (BST — বাংলাদেশ সময়) |
|---|---|
| একাদশী তিথি শুরু | ২৬ মে ২০২৬, ভোর ৫:৪১ মিনিট |
| একাদশী তিথি শেষ | ২৭ মে ২০২৬, সকাল ৬:৫১ মিনিট |
| ব্রত পালনের দিন | বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ |
| সকালের পূজার মুহূর্ত | ২৭ মে, সকাল ৫:৫৫ থেকে ৯:২১ মিনিট |
| পারণার সময় (ব্রত ভাঙা) | ২৮ মে ২০২৬, সকাল ৫:৫৫ থেকে ৮:২৭ মিনিট |
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নোট: উপরের সময়সূচি ভারতীয় সময় (IST) থেকে ৩০ মিনিট যোগ করে বাংলাদেশ সময়ে (BST, UTC+6) রূপান্তরিত হয়েছে। স্থানীয় পঞ্জিকা বা বিশ্বস্ত জ্যোতিষ নির্দেশিকা দেখে নিশ্চিত করুন।
উদয় তিথির নিয়ম কেন মানা হয়?
হিন্দু ধর্মে একাদশী ব্রত পালনের দিন নির্ধারণ হয় উদয় তিথির নিয়ম অনুযায়ী — অর্থাৎ সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি বিদ্যমান থাকে, সেদিনই ব্রত পালন করতে হয়।
২৭ মে সূর্যোদয়ের সময় (ভোর ৫:২৫ মিনিট IST) একাদশী তিথি বিদ্যমান থাকে, তাই ২৭ মে-ই হলো সঠিক ব্রত পালনের দিন। ২৬ মে একাদশী তিথি শুরু হলেও সেদিন সূর্যোদয়ের ঠিক আগে দশমী তিথি ছিল, তাই সেদিনটি “বিদ্ধা একাদশী” — ব্রতের জন্য অগ্রাহ্য।
অধিক মাস ২০২৬ ও পদ্মিনী একাদশীর সম্পর্ক
অধিক মাস কী?
হিন্দু বর্ষপঞ্জি একটি চান্দ্র-সৌর পদ্ধতিতে চলে। চন্দ্র বছর সৌর বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট। এই পার্থক্য মেটাতে প্রতি ২-৩ বছরে একবার একটি অতিরিক্ত মাস যোগ করা হয় — এটাই অধিক মাস বা মলমাস।
২০২৬ সালে অধিক মাস হলো অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস — যা এপ্রিলের শেষ থেকে মে-র শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
অধিক মাসে ব্রত পালন কেন বিশেষ?
- সমস্ত পুণ্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায় — শাস্ত্র মতে এই মাসে যেকোনো ধর্মীয় কাজের ফল সাধারণ সময়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি।
- ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং এই মাসের অধিপতি — তাই এই মাসকে “পুরুষোত্তম মাস” বলা হয়।
- পাপ মোচনের শ্রেষ্ঠ সময় — অধিক মাসে উপবাস, পূজা ও দান-ধ্যান করলে পাপ ক্ষমা হয় বলে বিশ্বাস।
- পদ্মিনী একাদশী এই বিশেষ মাসের শুক্লপক্ষে পড়ে, তাই এটি দ্বিগুণ পুণ্যের সুযোগ।
পদ্মিনী একাদশীর ব্রত বিধি
দশমীর দিন (ব্রতের আগের দিন — ২৬ মে ২০২৬)
- সন্ধ্যার আগেই খাবার খেয়ে নিন — পেঁয়াজ, রসুন ও তামসিক খাবার বর্জন করুন।
- মাংস, মাছ ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।
- মনকে শান্ত রাখুন, ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলুন।
- রাতে বেশি না খেয়ে সাত্ত্বিক খাবার (ফল, দুধ) গ্রহণ করুন।
একাদশীর দিন (ব্রতের দিন — ২৭ মে ২০২৬)
ধাপ ১ — ব্রাহ্ম মুহূর্তে জাগুন ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠুন। স্নান করুন এবং পরিষ্কার পোশাক পরুন।
ধাপ ২ — সংকল্প নিন “আমি আজ পদ্মিনী একাদশী ব্রত পালন করছি ভগবান বিষ্ণুর চরণে আত্মসমর্পণের উদ্দেশ্যে” — এই সংকল্প মনে মনে বা উচ্চস্বরে গ্রহণ করুন।
ধাপ ৩ — বিষ্ণু পূজা করুন
- বিষ্ণুর মূর্তি বা চিত্রের সামনে তুলসী পাতা, ফুল, ফল, ধূপ ও প্রদীপ নিয়ে বসুন।
- বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করুন।
- “ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়” মন্ত্র জপ করুন।
ধাপ ৪ — ব্রত পালন করুন
- পূর্ণ উপবাস: জল ও খাবার সম্পূর্ণ বর্জন।
- আংশিক উপবাস: ফল, দুধ, বাদাম, মধু গ্রহণ করা যাবে।
- যারা অসুস্থ বা বয়স্ক, তারা একবার ফলমূল খেতে পারেন।
ধাপ ৫ — সারাদিন ভজন-কীর্তনে কাটান
- বিষ্ণু সহস্রনাম, গীতা পাঠ বা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন।
- সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালান এবং আরতি করুন।
ধাপ ৬ — জাগরণ (রাত জাগা) একাদশীর রাতে ঘুম না ঘুমিয়ে ভগবানের নাম জপ করা বিশেষ পুণ্যদায়ক বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
পারণা (ব্রত ভাঙা) — ২৮ মে ২০২৬
- সময়: ২৮ মে সকাল ৫:৫৫ থেকে ৮:২৭ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ সময়)।
- হরিবাসর শেষ হওয়ার পরেই পারণা করুন।
- প্রথমে তুলসী পাতা ও জল দিয়ে পারণা শুরু করুন।
- মধ্যাহ্নের আগে পারণা সম্পন্ন করুন।
- পারণার দিন ভাত খাওয়া যাবে না যতক্ষণ না দ্বাদশী তিথি শেষ হয়।
পদ্মিনী একাদশীতে কী খাবেন, কী খাবেন না?
✅ যা খাওয়া যাবে:
- তাজা ফল (কলা, আম, আপেল, নারকেল)
- দুধ, দই, ঘি
- বাদাম, কাজু, আখরোট
- মধু, চিনি
- সাবু, আরারুট দিয়ে তৈরি খাবার
- শাকসবজি (তেল বা হলুদ ছাড়া রান্না)
❌ যা এড়িয়ে চলবেন:
- চাল ও চালের যেকোনো খাবার (ভাত, পায়েস, মুড়ি)
- গম ও ময়দার রুটি
- ডাল, মসুর, ছোলা
- পেঁয়াজ ও রসুন
- মাংস ও মাছ
- তামসিক মশলা
পদ্মিনী একাদশী ব্রত কথা
পদ্মপুরাণের উত্তর খণ্ডে পদ্মিনী একাদশীর কথা বর্ণিত আছে। শ্রীকৃষ্ণ রাজা যুধিষ্ঠিরকে এই কথা বলেছিলেন।
মূল কাহিনি: প্রাচীনকালে রাজা কার্তবীর্য অর্জুন (পাণ্ডব অর্জুন নন) মহর্ষি জমদগ্নির আশ্রম থেকে দিব্য গাভী কামধেনু চুরি করেন। এই পাপের ফলে তিনি ও তার বংশ অভিশপ্ত হন। পরবর্তী জন্মে তিনি এক ব্রাহ্মণ হিসেবে জন্ম নেন এবং তপস্যার মাধ্যমে পাপমুক্তির পথ খুঁজতে থাকেন।
মহর্ষি বশিষ্ঠ তাকে অধিক মাসের শুক্লপক্ষ একাদশী, অর্থাৎ পদ্মিনী একাদশী পালনের উপদেশ দেন। তিনি বিধিমতে ব্রত পালন করেন, এবং ভগবান বিষ্ণু তাকে দর্শন দিয়ে পাপ থেকে মুক্তি ও মোক্ষ প্রদান করেন।
অন্য একটি কথায়, রাজা কৃতবীর্য ও রানী পদ্মিনী সন্তান লাভের আশায় বনে কঠোর তপস্যা করেন। মুনি অনসূয়া রানী পদ্মিনীকে এই একাদশী ব্রত পালনের পরামর্শ দেন। রানী বিধিমতে ব্রত পালন করলে বিষ্ণু প্রসন্ন হন এবং তাদের একটি মহাপরাক্রমী পুত্র সন্তান দান করেন।
পদ্মিনী একাদশীর মাহাত্ম্য ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব
শাস্ত্র মতে পদ্মিনী একাদশী ব্রত পালন করলে যেসব ফল লাভ হয়:
- পাপ মোচন: সমস্ত জন্মের পাপ ক্ষমা হয়।
- মোক্ষলাভ: জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি।
- পুণ্য বৃদ্ধি: পদ্মপুরাণ অনুযায়ী, এই ব্রত পালনের পুণ্য হাজারটি অশ্বমেধ যজ্ঞের সমান।
- ইচ্ছাপূরণ: সাংসারিক কামনা-বাসনা পূর্ণ হয়।
- সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি: পরিবারে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।
- সম্পর্কের উন্নতি: পারিবারিক সম্পর্ক মজবুত হয়।
বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে: একাধিক তীর্থস্থান ভ্রমণ ও পবিত্র নদীতে স্নানের সমান পুণ্য অর্জিত হয় এই একটি একাদশী ব্রত পালনে।
পদ্মিনী একাদশী ও সাধারণ একাদশীর পার্থক্য
| বিষয় | সাধারণ একাদশী | পদ্মিনী একাদশী |
|---|---|---|
| সংখ্যা | বছরে ২৪টি | প্রতি ৩২-৩৩ মাসে একবার |
| কোন মাসে | প্রতি মাসে | শুধু অধিক মাসে |
| পুণ্যের মাত্রা | সাধারণ | বহুগুণে বেশি |
| আধ্যাত্মিক গুরুত্ব | নিয়মিত | অসাধারণ বিশেষ |
| পরবর্তী সুযোগ | প্রতি মাসে | ২০২৯ সালে |
পদ্মিনী একাদশীতে যে মন্ত্রগুলো জপ করবেন
১. মূল মন্ত্র:
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
২. বিষ্ণু গায়ত্রী মন্ত্র:
ওঁ নারায়ণায় বিদ্মহে বাসুদেবায় ধীমহি তন্নো বিষ্ণু প্রচোদয়াৎ
৩. হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র:
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
বাংলাদেশে পদ্মিনী একাদশী পালনের নিয়ম
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এই একাদশীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
বাংলাদেশে কীভাবে পালন করবেন:
১. মন্দিরে যান: কাছের বিষ্ণু বা কৃষ্ণ মন্দিরে যান। ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বা সিলেটের মন্দিরগুলোতে বিশেষ পূজার আয়োজন থাকে।
২. সামাজিক সংযোগ রক্ষা করুন: বাংলাদেশে অধিক মাসে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বা নতুন কাজ শুরু এড়ানো হয়, কিন্তু ধর্মীয় কার্যক্রম বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৩. দান-সদকা করুন: অধিক মাসে দান করা বিশেষ পুণ্যদায়ক। গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করুন, মন্দিরে দান করুন।
৪. পারিবারিকভাবে পালন করুন: পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িতে বিষ্ণু পূজা করুন এবং ব্রত কথা পড়ুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পদ্মিনী একাদশী ২০২৬ পালিত হবে ২৭ মে ২০২৬, বুধবার। বাংলাদেশ সময়ে (BST) একাদশী তিথি শুরু ২৬ মে ভোর ৫:৪১ মিনিটে এবং শেষ হয় ২৭ মে সকাল ৬:৫১ মিনিটে।
হ্যাঁ। পদ্মিনী একাদশীকে কমলা একাদশী ও পুরুষোত্তমী একাদশী-ও বলা হয়। তিনটি নামই একই একাদশীর। “পদ্মিনী” মানে পদ্মফুল, “কমলা” মানে লক্ষ্মীদেবী, এবং “পুরুষোত্তমী” মানে পুরুষোত্তম মাসের একাদশী।
পদ্মিনী একাদশী ২০২৬-এর পারণা (ব্রত ভাঙার) সময় হলো ২৮ মে ২০২৬ সকাল ৫:৫৫ থেকে ৮:২৭ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ সময়)। এই সময়ের মধ্যেই ব্রত ভাঙতে হবে।
না। একাদশীতে চাল বা চালের তৈরি কোনো খাবার খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শাস্ত্র মতে, একাদশীতে চাল খেলে ব্রতের পুণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
২০২৬ সালের অধিক মাস হলো অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস, যা মোটামুটি এপ্রিল শেষ থেকে মে শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত। পদ্মিনী একাদশী এই অধিক মাসেরই শুক্লপক্ষের একাদশী।
না। পদ্মিনী একাদশী প্রতি বছর আসে না। এটি আসে শুধু অধিক মাস-এ, যা প্রতি ৩২-৩৩ মাস, অর্থাৎ প্রায় আড়াই থেকে তিন বছরে একবার আসে। ২০২৬-এর পর পরবর্তী পদ্মিনী একাদশী হবে ২০২৯ সালে।
যারা কারণবশত পূর্ণ ব্রত পালন করতে পারছেন না, তারা অন্তত এই দিনটিতে চাল না খেয়ে বিষ্ণু পূজা করুন এবং মন্ত্র জপ করুন। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, মনের ভক্তিই সর্বোপরি — অন্তর থেকে ভগবানের স্মরণ নিলেও পুণ্য হয়।
পদ্মিনী একাদশীর মাহাত্ম্য ও ব্রত কথা পদ্মপুরাণের উত্তর খণ্ডে বর্ণিত আছে। এটি শ্রীকৃষ্ণ ও রাজা যুধিষ্ঠিরের সংলাপ আকারে বলা হয়েছে।
পদ্মিনী একাদশী ২০২৬ (সারসংক্ষেপ)
- 📅 তারিখ: ২৭ মে ২০২৬ (বুধবার)
- ⏰ পারণা: ২৮ মে সকাল ৫:৫৫ — ৮:২৭ (BST)
- 🌙 মাস: অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস, শুক্লপক্ষ
- 🪷 অন্য নাম: কমলা একাদশী, পুরুষোত্তমী একাদশী
- 🕉️ দেবতা: ভগবান বিষ্ণু (পুরুষোত্তম)
- 📖 শাস্ত্রীয় উৎস: পদ্মপুরাণ, উত্তর খণ্ড
- 🔁 পুনরাবৃত্তি: প্রায় ৩২-৩৩ মাসে একবার
- 🙏 বিশেষত্ব: সাধারণ একাদশীর চেয়ে বহুগুণ বেশি পুণ্যদায়ক
তথ্যসূত্র ও বিশ্বস্ত সোর্স
- Drik Panchang — drikpanchang.com
- ProKerala Festivals Calendar — prokerala.com
- India TV News (Spirituality) — indiatvnews.com
- GoodReturns Religious Calendar — goodreturns.in
- পদ্মপুরাণ, উত্তর খণ্ড (হিন্দু শাস্ত্র)
- বৈদিক পঞ্চাঙ্গ ২০২৬
এই আর্টিকেলটি ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যগত তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। স্থানীয় পঞ্জিকা বা বিশ্বস্ত পুরোহিতের পরামর্শ নিয়ে সময়সূচি নিশ্চিত করুন।
আমি মারুফ, গত ৫ বছর ধরে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্র্যান্ডিং এবং কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি কিভাবে একটি ছোট স্লোগান একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে।